জাতীয় বৃত্তি এবং পুরস্কার

শিক্ষা বিষয়ে গবেষণা এবং হাতে কলমে শিক্ষাবিষয়ের জাতীয় পর্ষদ পরিমানগত ও গুণগত ভাবে শিক্ষার উন্নয়নের বিশেষ চেষ্টা করে, সব ছাত্রদের মধ্যে অসমতা দুর করা এবং সমান সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। এনসিইআরটি প্রতিভা খুঁজে বার করার প্রকল্পের মাধ্যমে ছাত্রদের উচ্চকর্মক্ষমতা স্বীকার এবং প্রশংসা করে, চাচা নেহেরু বৃত্তির মাধ্যমে শিল্পকর্ম এবং গবেষণার উৎকর্ষতার জন্যও উৎসাহ দান করে।

জাতীয় বৃত্তি

অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রদের জন্য জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষা

এনসিইআরটি-র একটা মুখ্য কাজ জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ প্রকল্প, যেটা ১৯৬৩ সালে শুরু হয়েছিল। ওটার উদ্দেশ্য ছিল প্রতিভা সম্পন্ন ছাত্রদের চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রতিভা বিকাশে সাহায্য করা। প্রকল্পটিতে বিজ্ঞান, সমাজ-বিজ্ঞান, ইঞ্জিনীয়ারিং, ডাক্তারী, ম্যানেজমেন্ট এবং আইন প্রভৃতি বিষয় অন্তর্ভুক্ত। ওটা প্রতিভাধর ছাত্রদেরকে সন্মান জানায় এবং মাসিক বৃত্তি দিয়ে আর্থিক সাহায্য করে।    

বৃত্তি: পরীক্ষার ফলের উপর ভিত্তি করে, অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের প্রতিটি বিভাগে ১০০০জন করে বৃত্তি পাবে।  

যোগ্যতা   স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্ররা পরীক্ষাটির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। স্কুলটি যে রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত তারা পরীক্ষার ব্যবস্থাপক হবে। বাসস্থানের ভিত্তিতে সংরক্ষণ কার্যকরী হবে না।

পরীক্ষা: অষ্টম শ্রেণীর জন্য লিখিত পরীক্ষার ধরণ নিম্নরুপ হবেঃ

প্রথম স্তরীয় রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পরীক্ষা দু ভাগে হবে। এ) মানসিক ক্ষমতার পরীক্ষা (এমএটি), বি) পান্ডিত্যের পরীক্ষা (এসএটি), যাতে সমাজ বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং গনিত থাকবে।
 
দ্বিতীয় স্তরের বা জাতীয় স্তরের পরীক্ষায় থাকবে এ) মানসিক ক্ষমতার পরীক্ষা (এমএটি), বি) পান্ডিত্যের পরীক্ষা (এসএটি) যাতে সমাজ বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং গনিত থাকবে এবং সি) সাক্ষাৎকার। জাতীয় স্তরে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরই শুধু সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে।

সম্পূর্ণ বিশদের জন্য: www.ncert.nic.in/html/talent.htm



জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ প্রকল্প(দশম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রদের জন্য)

শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রদের জন্য)
শিক্ষা বিষয়ে গবেষণা এবং শিক্ষা সম্পর্কে জাতীয় পরিষদ তাদের জাতীয় প্রতিভা অণ্বেষণ প্রকল্পের অধীণে তপশিলি জাতিবর্গের জন্য ১৫০টি এবং তপশিলি উপজাতি বর্গের জন্য ৭৫টি সহ ১০০০টি বৃত্তি দেবে প্রতি বছর। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে দশম ক্লাসের পর মেধাবী ছাত্রদের চিহ্ণিতকরণ, তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদাণ যাতে তারা ভাল শিক্ষা পেতে পারে তাদের প্রতিভা আরও বিকাশের জন্য এবং দেশের সেবা আরও ভালভাবে করার জন্য।

যোগ্যতা
দশম শ্রেণীর সব ছাত্ররা যারা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয়, সৈনিক বিদ্যালয় ইত্যাদি যে কোন স্বীকৃত বিদ্যালয়ের ছাত্র, তারা রাজ্য স্তরে যে রাজ্যে স্কুল অবস্হিত সেখানে পরীক্ষা দেবার যোগ্য হবে। যাই হোক, স্হায়ী আবাসের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ব্যবস্হা থাকবে না। 

কি করে দরখাস্ত দিতে হবে
দশম শ্রেণীর ছাত্রদের পরীক্ষাটির জন্য নিজের নিজের রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকারের বিজ্ঞপ্তির জন্য নজর রাখতে হবে খবরের কাগজে বা স্কুলের ঘোষনাপত্রে এবং বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এগোতে হবে।   

পরীক্ষা
রাজ্যস্তরের পরীক্ষায় দুটো ভাগ থাকবে : পার্ট-১ মানসিক যোগ্যতার পরীক্ষা(এমএটি) এবং পার্ট ২-পান্ডিত্যের পরীক্ষা (এসএটি)। এর থেকে  এনসিইআরটি-র দ্বিতীয় স্তরের পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।  

সম্পূর্ণ বিশদের জন্য : www.ncert.nic.in/html/talent.htm


শিল্পকলা ও উদ্‌ভাবনগত পারদর্শীতার জন্য চাচা নেহেরু বৃত্তি

জাতীয় বাল ভবন বাল শ্রী অনুক্রম :
জাতীয় বালভবন দেশের সব জায়গায় শিল্পকলার উন্নতি সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। বর্তমানে দেশে ৭৩টি রাজ্য ও জেলা বালভবন আছে। জাতীয় বালভবন বিভিন্ন বয়সের প্রতিভাবান শিশুদের সন্মান জানানোর জন্য বাল শ্রী অনুক্রমের মাধ্যমে একটা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে ১৯৯৫ সালে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিশুদের, যারা মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়াশুনো করছে, তাদের জন্য শিল্পকলা এবং  উদ্‌ভাবনে পারদর্শীতার জন্য চাচা নেহেরু বৃত্তি উপলভ্য হবে। 
বাল শ্রী অনুক্রম নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিভার স্বীকৃতি দেয়:
1. সৃষ্টিমূলক প্রদর্শন
2. সৃষ্টিমূলক শিল্পকলা
3. সৃষ্টিমূলক বৈজ্ঞানিক উদ্‌ভাবন
4. সৃষ্টিমূলক সাহিত্য

জাতীয় বালভবন তিনটি স্তরে ক্রিয়া-কলাপের মাধ্যমে সৃষ্টিধর্মী শিশুদের নির্বাচন করে। যথাঃ     
1. স্থানীয় স্তরে দুইদিনের ক্যাম্পে ৮ জন শিশু (প্রতি বিভাগে দুইজন করে) চিহ্নিত করা হয়।    .

2. জোনাল স্তরে তিনদিনের ক্যাম্পে ছয়টি অঞ্চলের যেমন উত্তর, পূর্ব,পশ্চিম, মধ্য, দক্ষিন-১ এবং দক্ষিন-২, আঞ্চলিক অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ্ররা শিশুদের নির্বাচন করার জন্য অংশগ্রহণ করেন        

3. জাতীয় স্তরে দেশের ছয়টি অঞ্চলের মধ্যথেকে চারদিনের ক্যাম্প সংগঠিত করা হয়। বিশেষজ্ঞ এবং সম্পৎশালী ব্যক্তিগণকে, যারা চারটি বিভাগের প্রতিভূ, চিহ্নিত ও নিয়োগ করা হয় শিশুদের সৃষ্টিধর্মীতা যাচাই করার জন্য।  .

সম্পূর্ণ বিশদের জন্য এখানে ক্লিক্‌ করুন



অলিম্পিয়াড্‌স

অলিম্পিয়াডগুলি শিক্ষায় চরম উৎকর্ষতার এবং সন্দেহাতীত জ্ঞানভান্ডার এর নিদর্শন হিসাবে পরিগণিত হয়। ভারতবর্ষে ছাত্রদের মধ্যে প্রতিভাবান চিহ্নিতকরণের জন্য নিম্নবর্নিত অলিম্পিয়াড গুলি আছে।

জাতীয় সাইবার অলিম্পিয়াড (এনসিও)

জাতীয় সাইবার অলিম্পিয়াড, দেশের মধ্যে এই ধরনের প্রথম, দেশব্যপী প্রতিযোগীতার মাধ্যমে ছোটদের মধ্যে সাইবার ব্যবস্থায় পারদর্শীদের খুঁজে বার করে চিহ্নিত করে। উৎসাহ এবং প্রতিদ্বন্দীতার সুযোগ এনে, এটার উদ্দেশ্য ততটাই কম্পিউটার সম্বন্ধে অয়াকিবহাল করার জন্য, যতটা ছোটদের মধ্যে কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান ও ধারনা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যতে তাদের কম্পিঊটার সম্পর্কিত জীবিকা গ্রহনের ঝোঁক পরীক্ষা করা।     
যোগ্যতা
সিবিএসই/আইসিএসই বা রাজ্য শিক্ষা পর্ষদের ইংরাজী মাধ্যম স্কুলের তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্ররা এনসিও তে অংশগ্রহণ করতে পারে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সব ছাত্রদের, যারা কলা, বানিজ্য বা বিজ্ঞান বিষয়ক জীবিকা অবলম্বন করতে চায়, তাদের অবশ্যই অশগ্রহণ করা উচিৎ কারন এই পরীক্ষা তাদের কম্পিউটারে ঝোঁক যাচাই করে।   .

সম্পূর্ন বিশদের জন্য : http://www.sofworld.org/html2003/intronco.shtml



জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড

জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড তৃতীয় শ্রেণী ও উপরের ছাত্রদের অংশগ্রহণ করতে এবং জাতীয় স্তরে ভাল করতে আমন্ত্রন জানায়। প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষা নিজ নিজ স্কুলে, স্কুলের সময়ের মধ্যেই হয়। যেসব স্কুল থেকে কম করে ৫০জন অংশগ্রহণ করবে  তারাই শুধু অংশগ্রহণের জন্য নাম নথীভুক্ত করতে পারবে।
ছাত্রদের নথীভুক্তিকরণ : বিষয়টি তৃতীয় স্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রযোজ্য এবং নিজ নিজ স্কুলের মাধ্যমে নির্দেশিত ফর্ম্যাট অনুযায়ী নথীভুক্ত করতে হবে। স্কুল ও ছাত্রদের নথীভুক্তিকরণের কাগজপত্র তথ্যপুস্তিকার সাথে দেশের সব স্কুলে পাঠানো হয়।    

সম্পূর্ন বিশদের জন্য:: http://www.sofworld.org/html2003/htp.shtml



জাতীয় গাণিত অলিম্পিয়াড

জাতীয় স্তরে গণিত অলিম্পিয়াডের ক্রিয়াকলাপ উচ্চগণিতের জাতীয় পর্ষদ্‌ (এনবিএইচএম) এর একটি প্রধান উদ্যোগ ১৯৮৬ সাল থেকে। এটার প্রধান উদ্দেশ্য হছে হাইস্কুলের ছাত্রদের মধ্যে গণিতে প্রতিভাবানদের খোঁজা। প্রতিবছর আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের জন্য ছাত্র নির্বাচন ও ভারতীয় দলকে শিক্ষনের দায়িত্বও এনবিএইচএম নিয়েছে।   

অলিম্পিয়্যাড প্রতিযোগীতা সগঠিত করার জন্য দেশকে ১৬টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহনের জন্য ভারতীয় অনুক্রমে নিম্নলিখিত স্তর গুলি আছেঃ      

 স্তর ১: আঞ্চলিক গণিত অলিম্পিয়াড (আরএমও): প্রতিবছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম রবিবারের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরএমও হয়। একাদশ শ্রেণীর সব ছাত্র আরএমওতে অঙশগ্রহণ করতে পারে। এই অলিম্পিয়াড একটি তিনঘন্টার লিখিত পরীক্ষা যাতে ছয় থেকে সাত টি অংক থাকে।

স্তর-2: ভারতীয় জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড (আইএনএমও)ঃ আইএনএমও প্রতি বছর ফেব্রুয়ারীর প্রথম রবিবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন কেন্দ্রে হয়। বিভিন্ন অঞ্চলের আরএমও তে নির্বাচিত ছাত্ররাই শুধু অংশ গ্রহণ করতে পারে। আইএনএমও একটা চার ঘন্টার লিখিত পরীক্ষা। কেন্দ্রীয়ভাবে সারা দেশের জন্য একটাই প্রশ্নপত্র তৈরী হয়। আইএনএমও তে প্রথম ৩০ থেকে ৩৫ জন যোগ্যতার প্রশংসাপত্র পায়।     .
স্তর-3: আন্তাজাতিকলিম্পিয়াশিক্ষণ  শিবির (আইএমওটিসি): আইএনএমও-তে প্রশংসাপত্র প্রাপ্ত ছাত্ররা প্রতি বছরের মে জুন মাসে এক মাস ব্যাপী শিক্ষাশিবিরে আমন্ত্রিত হয় এছাড়াও পূর্ববর্তী বছরের আইএনএমও প্রশংসাপত্র প্রাপকরা যারা এক বছর ধরে সাফল্যের সাথে ডাকযোগে শিক্ষা নিয়েছে তাদেরকেও দ্বিতীয় দফায় শিক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। শিবিরে বেশ কয়েকটা পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে নতুন এবং পুরোনো দলের থেকে সবমিলিয়ে প্রথম ৬ জনকে বেছে নেওয়া হয় আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের জন্য।     

স্তর ৪: আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (আই এম ও): শিক্ষণ শিবিরের শেষে যে ছয় জনকে নির্বাচিত করা হয়, তারা একজন দলনেতা এবং একজন উপদলনেতার সাথে আইএমও তে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে। এটা বিভিন্ন দেশে সাধারনতঃ জুলাই মাসে হয়। আইএমও-তে সাড়ে চার ঘন্টা করে দুটো লিখিত পরীক্ষা হয় দুই দিনে, যার মধ্যে অন্ততঃ একদিনের অন্তর থাকে। আইএমও-র জায়গায় যাওয়া থেকে ফেরার জন্য দুইসপ্তাহের মত সময় লাগে। ভারতীয় ছাত্ররা গোল্ড, সিল্ভার বা ব্রোঞ্জ মেডাল পেলে এনবিএইচএম থেকে যথাক্রমে ৫০০০, ৪০০০ ও ৩০০০ টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়, পরবর্তী বছরের শিক্ষণ শিবিরের শেষে একটা দস্তুর-মাফিক অনুষ্ঠানে। ৮ জন সভ্যের ভারতীয় দলের আন্তর্জাতিক যাত্রার খরচ এমএইচআরডি বহন করে। দেশের মধ্যে সম্পূর্ণ অনুক্রমের খরচ এবং অংশগ্রহণের জন্য অন্যান্য আন্তর্জাতিক খরচ এনবিএইচএম(ডীএই)বহন করে। 

গণিত অলিম্পিয়াডের পাঠ্যক্রমঃ: গণিত অলিম্পিয়াদের পাঠ্যক্রম (আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক) হচ্ছে ডিগ্রী কলেজ পূর্ববর্তী গণিত। আরএমও থেকে আইএনএমও, তার থেকে আইএমও-তে জটিলতা বেড়ে যায়।
নিম্ন লিখিত দুটি বইতে গণিত গণিত অলিম্পিয়াড পাওয়া যেতে পারেঃ

ম্যাথেমেটিক্স অলিম্পিয়াড প্রাইমারঃ  ভি.কৃষ্ণমূর্তি, সি.আর.প্রানেসাচার, কে. এন. রংগনাথন ও বি.জে. ভেংকটাচালা দ্বারা লিখিত(ইন্টারলাইন পাবলিশিং প্রাইভেট লিমিটেড, ব্যাংগালোর )  

চ্যালেঞ্জ এ্যান্ড থ্রীল অব প্রি-কলেজ ম্যাথেমেটিক্সঃ  ভি.কৃষ্ণমূর্তি, সি.আর.প্রানেসাচার, কে. এন. রংগনাথন ও বি.জে. ভেংকটাচালা দ্বারা লিখিত  (নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশারস, নিউ দিল্লী)

সম্পূর্ণ বিশদের জন্য : http://math.iisc.ernet.in/matholym-nat.htm




Powered by Plone CMS, the Open Source Content Management System

This site conforms to the following standards: