নিরাপদ মাতৃত্ব

 
জন্মের ঠিক সময়
নিরাপদ মাতৃত্ব
শিশুর উন্নয়ন
বুকের দুধ খাওয়ানো
পুষ্টি এবং বেড়ে ওঠা
সংক্রনণ মুক্তকরণ
উদরাময়(ঘন ঘন পায়খানা)
শর্দি-কাশি, ঠান্ডালাগা বা অন্য গুরুতর রোগ
স্বাস্থ্য
ম্যালেরিয়া
এইচআইভি/এইডস
জখম নিবারণ
বিপর্যয় এবং জরুরী অবস্থা
সুম্মারী

নিরাপদ মাতৃত্ব সম্পর্কে জানা এবং মেনে চলা কেন জরুরী

প্রায় ১৪০০ জন মহিলা রোজ মারা যান গর্ভাবস্থা ও প্রসব জনিত সমস্যায়। আরও অনেকগুণ বেশীজন এমন সব সমস্যার সন্মুখীন হনযার অনেকগুলোই মহিলাদের এবং তাদের শিশুদের জীবন নিয়ে নিতে পারে- বা তাদের গুরুতরভাবে অক্ষম করে দিতে পারে।

সন্তানধারণের বিপদ অনেক কমে যেতে পারে যদি মহিলা স্বাস্থ্যবতী হন, যদি গর্ভবতী হওয়ার আগে পুষ্টি ঠিক থাকে, যদি তিনি শিক্ষিত স্বাস্থ্য-কর্মীর দ্বারা গর্ভাবস্থায় অন্ততঃ চারবার পরীক্ষা করান, এবং যদি প্রসব একজন পারদর্শী সহায়ক- যেমন দাক্তার, নার্স বা মিড্ওয়াইফের তত্বাবধানে হয়। প্রসবের ১২ঘন্টা পরে এবং ছয় সপ্তাহ পরেও স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে হবে।

প্রসবের পূর্ব ও পরবর্তী সেবা উপলব্ধ করা, প্রসবকালে সাহায্য করার জন্য স্বাস্থ্য-কর্মীদের পরিশিক্ষা দেওয়া, যেসব মহিলার গর্ভাবস্থা এবং প্রসবকালে গুরুতর সমস্যা থাকে তাদের জন্য বিশেষ যত্ন এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ব্যবস্থা করা সরকারের বিশেষ দায়িত্ব।

বেশীর ভাগ সরকার, মহিলাদের বিরুদ্ধে সবরকম বৈষম্যদুরীকরণের একটি আন্তর্জাতিক সমঝোতা, যার মধ্যে গর্ভবতী মহিলাদের প্রয়োজনীয় সেবাদানের আইনানুগ অঙ্গীকারও আছে, অনুমোদন করেছে।

মূল বার্তাসমূহঃ

প্রতিটি পরিবারের এবং সম্প্রদায়ের নিরাপদ মাতৃত্বের সম্পর্কে যা জানার আছে

১) এটা জরুরী যে সব পরিবার গর্ভাবস্থার এবং প্রসবকালীন সমস্যার বিপদসংকেতসমূহ বুঝতে পারে এবং সমস্যা হলে তাদের পারদর্শী সাহায্য পাওয়ার ব্যাবস্থা ও সামর্থ্য থাকে।

২) একজন পারদর্শী প্রসবসহায়ক যেমন ডাক্তার, নার্স্ বা পরিশিক্ষিত মিড্ওয়াইফ গর্ভবতী মহিলাকে প্রতি গর্ভাবস্থায় অন্ততঃ চারবার পরীক্ষা করবে এবং প্রতিবার প্রসবে সাহায্য করবে।

৩) সব মহিলার গর্ভাবস্থার পুরো সময়টা পুষ্টিকর খাদ্য এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী বিশ্রাম প্রয়োজন

৪) ধুমপান, মদ, নেশার অষুধ, বিষ এবং দুষণকারী বস্তু গর্ভবতীমহিলা এবং ছোট বাচ্চাদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর।

৫)মহিলা ও শিশুদের শারীরিক নির্যাতন অনেক সম্প্রদায়ে একটা গুরুতর সার্বজনিক সমস্যা। গর্ভাবস্থায় নির্যাতন মহিলা ও ভ্রুণ উভয়ের বিপজ্জনক।

৬) শিক্ষিত সুস্থ মেয়েরা, যারা ছোট্টবেলায় এবং কৈশোরে ভাল পথ্য পায়, তাদের গর্ভাবস্থা এবং প্রসবকালে কম সমস্যা হয়।

৭) প্রত্যেক মহিলার স্বাস্থ্য-যত্নের অধিকার আছে, বিশেষতঃ গর্ভাবস্থা ও প্রসবকালে। স্বাস্থ্য-যত্ন দানকারীর প্রায়োগিকভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়া দরকার।


সহায়ক খবর : 1   2   3   4   5   6   7

  << পিছনে   পরেরটা >>

Powered by Plone CMS, the Open Source Content Management System

This site conforms to the following standards: