|
এইচ আই ভি এডস্ এর সম্পর্কে আলোচনা করা বা এর উপর কাজ করা কেন
প্রয়োজন-
- পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশের মানুষ আজ এইচ আই ভি - আক্রান্ত। এটা ক্রমশ
একটা বিশ্ব সঙ্কট হিসাবে দেখা দিচ্ছে।
- বর্তমানে ৪০ মিলিয়ান মানুষ এইডস্ - এ আক্রান্ত এবং তাদের মধ্যে শিশু
রোগীর সংখ্যাও কম নয়। প্রায় ১০.৪ মিলিয়ান শিশু, যাদের বয়স ১৫ বছরেরও নিচে,
আজ তারা অনাথ, তাদের এইডস্- আক্রান্ত বাবা-মাকে হারিয়ে।
- ২০০১ সালে প্রায় ৫ মিলিয়ান মানুষ নতুন ভাবে এইডস্ এ আক্রান্ত হয়েছেন
যার প্রায় অর্ধেকের বয়স ১৫ থেকে ২৪ এর মধ্যে।
- মহিলারাই বেশি আক্রান্ত হন এই রোগে।
- একটি সমীক্ষা অনুসারে, এইডস্-এ আক্রান্ত ১১.৮ মিলিয়ান মহিলা এবং ৪.৫
মিলিয়ান পুরুষ।
- এইডস্- এর মুল কারন হল হিউম্যান ইমিউনু ডেফিসিএন্সি ভাইরাস নামক এক
প্রকার সংক্রমন যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে।
- ওষুধ দিয়ে এই রোগকে আয়ত্তে রাখা গেলেও পুরোপুরি সারিয়ে তোলা যায়
না।
- এইডস্ ছড়ানো বন্ধ করার উপায় হল প্রতিরোধক নেওয়া। প্রত্যেকটি দেশের
প্রতিটি মানুষের জ়ানা উচিত এই রোগ থেকে কি করে বাঁচা যায়।
- যৌন জীবনে কন্ডোম- এর ব্যবহার এই রোগের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য
করে।
- প্রত্যেক দেশের মানুষের-ই এইডস্ সম্পর্কে যথাযথ তথ্য জানা প্রয়োজন।
এইচ আই ভি- র পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের দেহে এটি আছে কিনা জেনে তার জন্য
যথাযথ সর্তকতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
- এইডস্ এ আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় যত্ন ও সহানুভুতি দেখান উচিত এবং
সামাজিক, সাংস্কৃতিকবা রাজনৈতিক সকল বাধা অতিক্রম করে এইডস্ এর ব্যাপারে
প্রচার চালিয়া যাওয়া উচিত।
-
|
এইচ আই ভি এইডস্- এর সম্পর্কে পরিবার ও সমাজের কি কি জানার অধিকার
আছে
- এইডস্ এমনই একটা রোগ যাকে প্রতিরোধ করা গেলেও সারানো সম্ভব নয়। এইডস্
হয় বিভিন্ন কারনে, যেমন- অসতর্ক যৌন জীবন, অশুদ্ধ রক্তের দেহে প্রবেশ,
ইনজ়েক্সনের এর সিরিঞ্জ প্রভৃতি। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় এইডস্ আক্রান্ত মায়ের
থেকে শিশুর দেহেও সংক্রমন ঘটতে পারে অথবা জন্মাবার পর স্তনদুগ্ধ পান
করাবার সময়।
- সমস্ত মানুষ এমনকি শিশুদের ও যেহেতু এইডস্ হওয়ার সম্ভবনা থাকে সেহেতু
এ সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা এবং আলোচনার মাধ্যমে এই রোগকে প্রতিরোধ করা
উচিত।
- যদি কারোর সন্দেহ হয় যে সে বা তারা এইডস্ এ আক্রান্ত, অবিলম্বে
নিক্টবর্তী সাস্থকেন্দ্রে যোগাযোগ করে পরিক্ষা করান উচিত।
- যৌন জীবনে সতর্কতা অবলম্বন করে এবং যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে
এইডস্ কে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
- মহিলারা যেহেতু বেশি আক্রান্ত হন সেহেতু নিজেদের রক্ষা করার জন্য
অসঙ্গত যৌন জীবন থেকে সাব্দান থাকা উচিত।
- বাবা-মা এবং শিক্ষকদের উচিত তাদের বাচ্ছাদের এইডস্ এর ব্যাপারে সঠিক
তথ্য দেওয়া এবং কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় সে সম্পর্কে সঠিক পধ্যতি অবলম্বন
করতে শেখান।
- যেহেতু গর্ভবস্থায় বা জন্মের পর স্তনদুগ্ধ পান করার সময় শিশুর দেহে
মায়ের থেকে এ সংঙ্ক্রমনের সম্ভবনা থাকে সেহেতু যদি কোনো মায়ের সন্দেহ হয়
যে তিনি এইডস্ এ আক্রান্ত, তাহলে স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে যোগাযোগ করে
পরীক্ষা করান উচিত।
- এইচ আই ভি ছড়িয়ে পরতে পারে ইনজেকসন সিরিঞ্জ,ব্যবহ্রত ছুরি,ব্লেড এর
মাধ্যমে।
- যৌনজীবণে বিভিন্ন সংক্রমন থেকে এইচ আই ভি ছরিয়ে পড়তে পারে। তাই
সংক্রমন আছে এমন ব্যক্তিদের সঠিক চিকিতসার প্রয়োজন, এবং সতর্ক যৌন
জীবনযাপন এর মাধ্যমে।
|
|
সহায়ক খবর : 1
2
3
4
5
6 7
8
9
|