সর্দি কাশি ও আরো গুরুতর অসুখ মূল বার্তা 1
|
|
কাশি বা সর্দিতে আক্রান্ত শিশুকে গরম রাখতে হবে এবং যতটা সম্ভব খেতে ও পানীয় গ্রহণ করতে উত্সাহিত করতে হবে৷ খুব ছোটো বাচ্চা ও ছোটো শিশুদের শারীরিক তাপ সহজে হ্রাস হয়৷ কাশি বা সর্দি হলে তাদের ঢাকা দিয়ে ও গরম রাখতে হবে ৷ যে সব শিশুর কাশি, সর্দি, নাক দিয়ে জল পড়া বা গলা ব্যথা সত্ত্বেও স্বাভাবিকভাবে শ্বাস গ্রহণ অব্যাহত আছে তাদের বাড়িতেই চিকিত্সা করা চলে এবং তারা ওষুধ ছাড়াই সেরে উঠবে৷ তাদের গরম রাখতে হবে, কিন্তু অতিরিক্ত গরম নয, এবং প্রচুর খাদ্য ও পানীয় দিতে হবে৷ কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকর্মী ব্যবস্থা দিলেই ওষুধ দেওয়া যাবে৷ শিশুর জ্বর থাকলে ঠাণ্ডা জলে গা মুছিয়ে বা স্নান করিয়ে দিতে হবে তবে জল যেন কনকনে ঠাণ্ডা না হয়৷ ম্যালেরিয়া প্রবণ অঞ্চলে জ্বর বিপজ্জনক হতে পারে৷ শিশুটিকে অবিলম্বে কোনো স্বাস্থ্যকর্মীকে দেখাতে হবে৷ কাশি বা সর্দিতে ভোগা শিশুর নাক ঘন ঘন পরিষ্কার করে দিতে হবে, বিশেষ করে শিশুটি খাওয়ার বা ঘুমোতে যাওয়ার আগে৷ আর্দ্র পরিবেশে শ্বাস নেওয়া সহজ, এবং শিশুটি যদি একটি গরম তবে ফুটন্ত নয় এমন জল ভরা বাটি থেকে বাষ্প টানে তবে সুবিধা হবে৷ বুকের দুধ খায় এমন শিশুর কাশি বা সর্দি হলে খেতে অসুবিধা হতে পারে৷ কিন্তু বুকের দুধ খাওয়ালে অসুখের সঙ্গে লড়তে সাহায্য হয় এবং তা শিশুটির বৃদ্ধির জন্যও জরুরি, তাই মা ঘন ঘন দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাবেন৷ যদি শিশুটি দুধ টানতে না পারে, বুকের দুধ একটি পরিষ্কার কাপে বার করে রাখা যায় এবং শিশুটিকে ঐ কাপ থেকে তারপরে খাওয়ানো যায়৷ যে শিশুরা বুকের দুধ খায় না তাদের ঘন ঘন অল্প অল্প করে খেতে উত্সাহিত করা উচিত৷ অসুখ সেরে গেলে, অন্ততঃ এক সপ্তাহ পর্যন্ত শিশুটিকে দৈনিক একটি বাড়তি ভোজন দেওয়া দরকার৷ অসুস্থতা আরম্ভ হবার আগে শিশুর যা ওজন ছিল অন্ততঃ সেই ওজন ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে সম্পূর্ণ সুস্থ বলা যাবে না৷ কাশি ও সর্দি সহজেই ছড়ায়৷ কাশি ও সর্দি আক্রান্ত ব্যক্তিরা শিশুদের কাছে কাশি, হাঁচি বা থুথু ফেলা এড়িয়ে চলবেন৷ |
| << পিছনে পরেরটা >> |


