মোবাইল ফোন : বিতরণের রাস্তা হিসাবে এগিয়ে আসছে
আজকে মোবাইল ফো্ন, শুধুমাত্র যোগাযোগের, লিখিত বা কন্ঠস্বরে খবর পাওয়া এবং পাঠানোর যন্ত্র হিসাবে সীমাবদ্ধ নয়। এটা শহুরে জনতা, যাদের অনেক আছে এবং গ্রামীণ জনতা, যাদের নেই, তাদের মধ্যেকার আংকিক বিভাজন দুর করার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তি হিসাবে এগিয়ে আসছে। ভারতবর্ষে শুরু করার দুই দশকের মধ্যে, জ্ঞাত বাধাসমূহ যেমন সংযোগ এবং বিদ্যুতের অভাব, ও শিক্ষার নিম্নহার সত্বেও মোবাইল ফোন দূরান্তবর্তী ছোট গ্রামে পৌছে গেছে। অন্য দিকে এটা লক্ষ লক্ষ যুব জনতার জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
উন্নয়নের দ্বিতীয় দফায় এটা বিভিন্ন ধরনের পরিষেবা প্রদানের পথ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে এবং যে কোন ব্যক্তি মোবাইল ব্যবহার করে একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করতে পারে। সরকার এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলিও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে নাগরিক ও ব্যবসায়িক পরিষেবা প্রদান শুরু করেছে। সাম্প্রতিককালে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিং পরিষেবা প্রদানের অনুমোদন দিয়েছে, পক্ষান্তরে ভারত সরকার, আন্তঃমন্ত্রক দ্বারা বিকশিত “মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আর্থিক পরিষেবা প্রদানের কাঠামো” অনুমোদন করেছে। ভারতে ৩ জি প্রযুক্তি শুরু করার পর (সেটা ২০১০ এর শেষ নাগাদ সাধারণ মানুষের জন্য লভ্য হবে), ব্যবহারকারীরা তাদের মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, তথ্য পরিষেবা পেতে পারবে।
|
ভারতবর্ষে এম-গভর্নেন্স
|
নতুন কি আছে?
|
|||
|
|
|
|||
|
|
|
গরীব লোকেরা মোবাইল আর্থিক পরিষেবা ব্যবহার করছে | ||


